
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সুচন্দা একটি পরিচিত ও সম্মানিত নাম। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রযোজক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ষাটের দশকে অভিনয়জীবন শুরু করে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন এবং দর্শকের কাছে একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
সুচন্দা একসময় ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। ‘কাগজের নৌকা’, ‘বেহুলা’, ‘সুয়োরাণী দুয়োরাণী’ এবং ‘জীবন থেকে নেয়া’র মতো উল্লেখযোগ্য সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেন। পরবর্তীতে চলচ্চিত্র নির্মাণের দিকেও মনোযোগ দেন। বিশেষ করে ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে তিনি বড় ধরনের স্বীকৃতি অর্জন করেন। সিনেমাটি ২০০৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা পরিচালকের পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করে।
সুচন্দার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
- পূর্ণ নাম: কোহিনূর আখতার সুচন্দা
- জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
- জন্মস্থান: যশোর, বাংলাদেশ
- পেশা: অভিনেত্রী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্র পরিচালক
- শিক্ষা: ঢাকা সিটি কলেজ
- কর্মজীবন: ১৯৬৫–বর্তমান
- স্বামী: জহির রায়হান; পরবর্তীতে এম. রেজাউল মালিক
- রাশিচক্র: কন্যা
- ধর্ম: ইসলাম
সুচন্দার শৈশব ও শিক্ষাজীবন
সুচন্দার জন্ম ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালে যশোরে। তাঁর জন্মনাম কোহিনূর আখতার। তাঁর বাবা এ.এস.এম. নিজামউদ্দিন আয়ুব এবং মা জাহান আরা বেগম। শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হওয়ার পেছনে তাঁর পারিবারিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা সিটি কলেজে পড়াশোনা করেন। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতি ও অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে তিনি বিনোদন জগতে পা রাখেন।
সুচন্দার পরিবারও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাঁর ছোট বোন ববিতা ও চম্পা দুজনেই পরবর্তীতে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। অভিনেতা রিয়াজও তাঁদের পরিবারের আত্মীয়।
সুচন্দার অভিনয় ক্যারিয়ারের শুরু
সুচন্দা ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে ‘কাগজের নৌকা’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন সুবাষ দত্ত। এই সিনেমার পর তিনি ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন।
এরপর তিনি ‘বেহুলা’ সিনেমায় অভিনয় করেন। জহির রায়হান পরিচালিত এই সিনেমায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেন কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক। ‘বেহুলা’ সুচন্দার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ একটি সিনেমা হয়ে ওঠে এবং তাঁকে দর্শকের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।
পরবর্তীতে ‘সুয়োরাণী দুয়োরাণী’, ‘জীবন থেকে নেয়া’সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। বিশেষ করে জহির রায়হানের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাগুলো তাঁর অভিনয়জীবনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সুচন্দার জনপ্রিয়তা ও সফল সিনেমা
ষাট ও সত্তরের দশকে সুচন্দা বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। তাঁর অভিনয়ে ছিল স্বাভাবিকতা, আবেগ এবং চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। ফলে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে তিনি দর্শকের প্রশংসা অর্জন করেন।
‘জীবন থেকে নেয়া’ তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সিনেমা। ১৯৭০ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলা সিনেমার পাশাপাশি সুচন্দা উর্দু ভাষার কয়েকটি পাকিস্তানি সিনেমাতেও অভিনয় করেন। ‘হাম এক হ্যায়’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি পাকিস্তানের নিগার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘কাগজের নৌকা’, ‘বেহুলা’, ‘সুয়োরাণী দুয়োরাণী’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘নয়ন তারা’, ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘কাঁচের স্বর্গ’ এবং ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’।
সুচন্দার চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা
অভিনয়ের পাশাপাশি সুচন্দা চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গেও যুক্ত হন। ১৯৮৫ সালে তিনি ‘সুচন্দা চলচ্চিত্র’ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার কাজ শুরু করেন। তাঁর প্রযোজিত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে ‘তিন কন্যা’, ‘টাকা আনা পাই’ ও ‘প্রতিশোধ’ উল্লেখযোগ্য।
চলচ্চিত্র নির্মাণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তিনি পরিচালনার দিকে এগিয়ে যান। তাঁর পরিচালিত কাজের মধ্যে ‘বহির্দেশ যাত্রা’ এবং পরবর্তীতে ‘হাজার বছর ধরে’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন জীবনীমূলক সূত্রে পরিচালনার শুরুর কাজের তালিকায় ভিন্নতা দেখা যায়, তবে ‘হাজার বছর ধরে’ তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্বীকৃত পরিচালনাকর্মগুলোর একটি।
‘হাজার বছর ধরে’ ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
সুচন্দার পরিচালিত ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমাটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি। সিনেমাটি তাঁর প্রয়াত স্বামী ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক-চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়।
২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে অভিনয় করেন রিয়াজ, শশী, শাহনূর, এটিএম শামসুজ্জামানসহ আরও অনেকে। সিনেমাটি দর্শক ও চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছ থেকে প্রশংসা পায়।
‘হাজার বছর ধরে’ ২০০৫ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা চলচ্চিত্রসহ একাধিক বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে। একই অনুষ্ঠানে সুচন্দা সেরা পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
এই অর্জন সুচন্দার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেও তাঁর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে।
সুচন্দার ব্যক্তিজীবন ও পরিবার
সুচন্দা ১৯৬৮ সালে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী জহির রায়হানকে বিয়ে করেন। তাঁদের দাম্পত্য জীবন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। জহির রায়হান ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাতা।
১৯৭২ সালে জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার পর সুচন্দার জীবনে কঠিন সময় নেমে আসে। তাঁর স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আজও আলোচিত একটি অধ্যায়।
পরবর্তীতে সুচন্দা এম. রেজাউল মালিককে বিয়ে করেন। দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনের পাশাপাশি তিনি পরিবার ও সন্তানদেরও সময় দিয়েছেন।
সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একই পরিবারের তিন বোনের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয় – সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা।
তিন বোনই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় সফলতা অর্জন করেছেন। সুচন্দা ছিলেন তাঁদের মধ্যে বড়। ববিতা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, অন্যদিকে চম্পাও ঢালিউডে দীর্ঘ ও সফল অভিনয়জীবন গড়ে তুলেছেন।
তিন বোনকে একই সিনেমায় দেখার সুযোগও দর্শক পেয়েছেন। ‘তিন কন্যা’ সিনেমার মাধ্যমে সুচন্দা, ববিতা ও চম্পাকে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়। সিনেমাটি সুচন্দার প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
সুচন্দার পুরস্কার ও সম্মাননা
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সুচন্দা অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণ—দুই ক্ষেত্রেই বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে—
- নিগার অ্যাওয়ার্ড – ‘হাম এক হ্যায়’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার – সেরা পরিচালক – ‘হাজার বছর ধরে’ (২০০৫)
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার – আজীবন সম্মাননা – চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে
- Celebrating Life Lifetime Achievement Award সহ বিভিন্ন সম্মাননা
‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার জন্য ২০০৫ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা পরিচালক হিসেবে সুচন্দার স্বীকৃতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নারী নির্মাতাদের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
সুচন্দার উল্লেখযোগ্য সিনেমা
সুচন্দার দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- কাগজের নৌকা
- বেহুলা
- সুয়োরাণী দুয়োরাণী
- জীবন থেকে নেয়া
- ধীরে বহে মেঘনা
- চাওয়া পাওয়া
- নয়ন তারা
- যে আগুনে পুড়ি
- কাঁচের স্বর্গ
- অশ্রু দিয়ে লেখা
- তিন কন্যা
- হাজার বছর ধরে
তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলোর অনেকগুলোই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
সুচন্দা সম্পর্কে মজার তথ্য
- সুচন্দার আসল নাম কোহিনূর আখতার।
- ১৯৬৬ সালে ‘কাগজের নৌকা’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।
- তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
- অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনাতেও সফল হয়েছেন।
- তাঁর ছোট বোন ববিতা ও চম্পা দুজনেই বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
- জহির রায়হানের পরিচালিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিনেমায় সুচন্দা অভিনয় করেছেন।
- ‘হাজার বছর ধরে’ জহির রায়হানের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত।
- ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার জন্য ২০০৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা পরিচালক হন।
- পাকিস্তানি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি নিগার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
- চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননাও পেয়েছেন।
সুচন্দা সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
সুচন্দার আসল নাম কী?
সুচন্দার আসল নাম কোহিনূর আখতার। চলচ্চিত্রে তিনি ‘সুচন্দা’ নামেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
সুচন্দা কবে অভিনয় শুরু করেন?
সুচন্দা ১৯৬৬ সালে সুবাষ দত্ত পরিচালিত ‘কাগজের নৌকা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।
সুচন্দা কোন সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান?
সুচন্দা ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার জন্য ২০০৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কার পান।
সুচন্দার স্বামী কে ছিলেন?
সুচন্দার প্রথম স্বামী ছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক জহির রায়হান। ১৯৬৮ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে সুচন্দা এম. রেজাউল মালিককে বিয়ে করেন।
সুচন্দার বোন কারা?
সুচন্দার ছোট বোন হলেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান অভিনেত্রী ববিতা ও চম্পা। তিন বোনই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
উপসংহার
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সুচন্দার অবদান শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও পরিচালনায়ও নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। ষাটের দশক থেকে শুরু করে দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি একাধিক স্মরণীয় সিনেমায় কাজ করেছেন।
বিশেষ করে ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে জাতীয় স্বীকৃতি অর্জন তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য। একই সঙ্গে ববিতা ও চম্পার বড় বোন এবং জহির রায়হানের সহধর্মিণী হিসেবেও তাঁর জীবন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
সব মিলিয়ে, সুচন্দা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এমন একজন গুণী শিল্পী, যাঁর অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণের অবদান দেশের সিনেমার ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।




