
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে পূর্ণিমা অন্যতম। তাঁর পুরো নাম দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। সৌন্দর্য, অভিনয়দক্ষতা এবং পর্দায় স্বতন্ত্র উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ঢালিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করে পূর্ণিমা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। বিশেষ করে রিয়াজের সঙ্গে তাঁর জুটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি গল্পনির্ভর চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শুভা’ এবং ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে।
পূর্ণিমার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
- পুরো নাম: দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
- জন্মনাম: দিলারা হানিফ রীতা
- ডাকনাম: রীতা
- জন্ম তারিখ: ১১ জুলাই ১৯৮১
- জন্মস্থান: ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
- পেশা: অভিনেত্রী ও মডেল
- জাতীয়তা: বাংলাদেশি
- কর্মজীবন: ১৯৯৭–বর্তমান
- স্বামী: আশফাকুর রহমান রবিন
- সন্তান: এক কন্যা
- উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
পূর্ণিমার শৈশব ও পরিবার
পূর্ণিমা ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবের একটি বড় সময় চট্টগ্রামেই কেটেছে। ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল।
শৈশবের ডাকনাম ছিল রীতা। পড়াশোনার সময়ই তিনি বিনোদন জগতের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। মাত্র কিশোরী বয়সেই চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবনের সূচনা হয়।
চলচ্চিত্রে পূর্ণিমার অভিষেক
পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এই সিনেমাটি ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়। তখন পূর্ণিমা ছিলেন খুবই তরুণী।
চলচ্চিত্রে প্রবেশের পর প্রথমদিকে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে প্রত্যাশিত সাফল্য না এলেও তিনি নিয়মিত কাজ করে যেতে থাকেন।
ধীরে ধীরে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান তিনি।
রিয়াজের সঙ্গে পূর্ণিমার জনপ্রিয় জুটি
পূর্ণিমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো রিয়াজের সঙ্গে তাঁর সফল জুটি। তাঁদের অভিনীত সিনেমাগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
বিশেষ করে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমার মাধ্যমে এই জুটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার পাশাপাশি পূর্ণিমার ক্যারিয়ারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরবর্তীতে রিয়াজ ও পূর্ণিমা জুটির আরও বেশ কিছু সিনেমা দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়। ফলে ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটিগুলোর তালিকায় তাঁদের নামও জায়গা করে নেয়।
পূর্ণিমার ক্যারিয়ারে সাফল্য
চলচ্চিত্রজীবনের শুরুতে বেশ কিছু সিনেমায় প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও পরবর্তীতে পূর্ণিমা নিজের অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেন।
‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মাস্টানের ওপর মাস্তান’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শুভা’, ‘হৃদয়ের কথা’ এবং ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’-এর মতো সিনেমা তাঁর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ করে ‘শুভা’ সিনেমায় তাঁর অভিনয় আলাদাভাবে প্রশংসিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় তিনি বাক্প্রতিবন্ধী একটি মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। চরিত্রটির আবেগ ও অনুভূতি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পায়।
‘মেঘের পরে মেঘ’ সিনেমায় পূর্ণিমা
পূর্ণিমার অভিনয়জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিনেমাগুলোর একটি হলো ‘মেঘের পরে মেঘ’। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
গল্পনির্ভর এই চলচ্চিত্রে পূর্ণিমার অভিনয় তাঁর ক্যারিয়ারের ভিন্ন একটি দিক তুলে ধরে। বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি তিনি যে শক্তিশালী গল্প ও চরিত্রেও অভিনয় করতে পারেন, এই সিনেমার মাধ্যমে তা আরও স্পষ্ট হয়।
‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’ সিনেমায় পূর্ণিমা
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’ সিনেমাতেও পূর্ণিমা অভিনয় করেন। সিনেমাটিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মান্না, শাবনূর, মিশা সওদাগর, নায়করাজ রাজ্জাক এবং মনোয়ার হোসেন ডিপজল।
পারিবারিক সম্পর্ক, দ্বন্দ্ব ও আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে পরিচিতি পায়। শক্তিশালী অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার ফলে পূর্ণিমার অভিনয় ক্যারিয়ারও আরও সমৃদ্ধ হয়।
পূর্ণিমার জনপ্রিয় সিনেমা
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পূর্ণিমা অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—
- এ জীবন তোমার আমার
- মনের মাঝে তুমি
- মেঘের পরে মেঘ
- শুভা
- হৃদয়ের কথা
- আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা
- মাস্টানের ওপর মাস্তান
- ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না
- স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ
- লোভে পাপ পাপে মৃত্যু
এসব সিনেমায় কখনো তিনি বাণিজ্যিক নায়িকার চরিত্রে, আবার কখনো গল্পনির্ভর ও আবেগপ্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
পূর্ণিমার টেলিভিশন ও উপস্থাপনা
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি পূর্ণিমা টেলিভিশনেও কাজ করেছেন। বিভিন্ন নাটক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি উপস্থাপক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন।
‘এবং পূর্ণিমা’, ‘পূর্ণিমা আলো’ এবং ‘বড় মঞ্চের তারকারা’-এর মতো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন পুরস্কার অনুষ্ঠানেও তাঁকে উপস্থাপক হিসেবে দেখা গেছে।
পূর্ণিমার ব্যক্তিজীবন ও বিয়ে
পূর্ণিমার ব্যক্তিজীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। তিনি প্রথমবার মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে ২০০৫ সালে বিয়ে করেন। তবে সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি এবং ২০০৭ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।
এরপর একই বছর আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। তাঁদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার জন্ম ২০১৪ সালে। পরবর্তীতে এই সম্পর্কেরও বিচ্ছেদ ঘটে।
২০২২ সালের ২৭ মে পূর্ণিমা আশফাকুর রহমান রবিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বিভাগে কাজ করেন। পূর্ণিমা জানিয়েছেন, কাজের সূত্রে তাঁদের পরিচয় এবং পরবর্তীতে বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক তৈরি হয়।
বর্তমানে পূর্ণিমা তাঁর স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে পারিবারিক জীবন কাটাচ্ছেন। ২০২৬ সালের জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদনে তাঁকে স্বামী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করতে দেখা যায়।
পূর্ণিমার পুরস্কার ও অর্জন
অভিনয়জীবনে পূর্ণিমা বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া।
কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি ২০১০ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নির্বাচিত হন।
এ ছাড়া তিনি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন। ‘মনের মাঝে তুমি’ ও ‘হৃদয়ের কথা’ সিনেমার জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন।
পূর্ণিমার অভিনয়শৈলী
পূর্ণিমার অভিনয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো চরিত্র অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। রোমান্টিক, পারিবারিক, আবেগপ্রবণ কিংবা গল্পনির্ভর—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।
বিশেষ করে আবেগঘন দৃশ্যে তাঁর স্বাভাবিক অভিনয় দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় উপস্থিতি তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।
পূর্ণিমার বর্তমান ক্যারিয়ার
বর্তমানে পূর্ণিমা আগের তুলনায় নিয়মিতভাবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন না। তবে বিনোদন অঙ্গন থেকে তিনি পুরোপুরি দূরে সরে যাননি।
গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে এখনো তিনি নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁকে ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গেছে। এছাড়া ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’সহ তাঁর কয়েকটি সিনেমা দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
পূর্ণিমা সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য
- পূর্ণিমার ডাকনাম ছিল রীতা।
- তাঁর জন্ম ১১ জুলাই ১৯৮১।
- তাঁর জন্মস্থান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি।
- কিশোরী বয়সেই তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।
- ‘এ জীবন তোমার আমার’ তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেকের সিনেমা।
- রিয়াজের সঙ্গে তাঁর জুটি ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত ‘শুভা’ সিনেমায় তিনি বাক্প্রতিবন্ধী তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেন।
- ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হন।
- চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনাও করেছেন।
- ২০২২ সালে আশফাকুর রহমান রবিনকে বিয়ে করেন।
পূর্ণিমা সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পূর্ণিমার আসল নাম কী?
পূর্ণিমার আসল নাম দিলারা হানিফ রীতা। তিনি চলচ্চিত্রে দিলারা হানিফ পূর্ণিমা নামে পরিচিতি লাভ করেন।
পূর্ণিমার জন্ম তারিখ কত?
পূর্ণিমার জন্ম ১১ জুলাই ১৯৮১। তাঁর জন্মস্থান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি।
পূর্ণিমার প্রথম সিনেমার নাম কী?
পূর্ণিমার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা হলো ‘এ জীবন তোমার আমার’। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত সিনেমাটি ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়।
পূর্ণিমার সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি কার সঙ্গে?
পূর্ণিমার সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটিগুলোর মধ্যে রিয়াজের সঙ্গে জুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁদের অভিনীত ‘মনের মাঝে তুমি’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
পূর্ণিমা কি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন?
হ্যাঁ। ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পূর্ণিমা ২০১০ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার পান।
পূর্ণিমার স্বামী কে?
পূর্ণিমার বর্তমান স্বামী হলেন আশফাকুর রহমান রবিন। তাঁরা ২০২২ সালের ২৭ মে বিয়ে করেন।
পূর্ণিমার কি সন্তান আছে?
হ্যাঁ। পূর্ণিমার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তাঁর জন্ম ২০১৪ সালে।
উপসংহার
পূর্ণিমার জীবনী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একজন অভিনেত্রীর দীর্ঘ পথচলার গল্প। অল্প বয়সে চলচ্চিত্রে পা রেখে তিনি ধীরে ধীরে নিজের অভিনয় দক্ষতা ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে ঢালিউডের অন্যতম পরিচিত নায়িকা হয়ে ওঠেন।
রিয়াজের সঙ্গে জনপ্রিয় জুটি, ‘মনের মাঝে তুমি’র মতো বাণিজ্যিক সাফল্য এবং ‘শুভা’ ও ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’-এর মতো গল্পনির্ভর সিনেমায় অভিনয়—সব মিলিয়ে পূর্ণিমার ক্যারিয়ার বেশ বৈচিত্র্যময়।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকদের ভালোবাসা ধরে রাখতে পারাটাই তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। বর্তমানে তিনি অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না হলেও নতুন প্রজন্মের কাছেও পূর্ণিমা এখনো বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন।




